কথার কথা
দেখতে দেখতে অনেক কটা সপ্তাহ পেরিয়ে এলাম। অনেক কটা মাস। সারা দেশে আনলক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই রকম একটা পরিস্হিতি কে ম্যানেজ করা সরকার বাহাদুর থেকে আম জনতার কাছেও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কি করা উচিত আর কি করা উচিত নয় এটা ভাবতে ভাবতে দিনের দফারফা। কতটা সতর্ক থাকতে হবে আর কতটা সতর্ক থাকতে হবে না সেটাও তো যথেষ্ট যুক্তি দিয়ে বুঝতে হবে । কিন্তু কে বুঝবে? বেশির ভাগ মানুষ যুক্তি তর্কের বাইরে। ফলত খুব তাড়াতাড়ি সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ কে ভুল বোঝানো সম্ভব হয়। আবার এই সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষেরা নিবার্চনের নিয়ন্তক শক্তি হিসাবে থাকেন। তাই যা হবার তাই হয়। হয় কে নয় নয় কে ছয়। এত গুলো মাস লকডাউন হলো অথচ করনার বিরুদ্ধে লড়াই করবার জন্য এমন কিছু কী পরিকল্পনা করা হলো যা দিয়ে করোনা ভাইরাস কে প্ররিরোধ করা যায় ? হঠাৎ করে ঘনিয়ে আসা মেঘ ছারখার করে দিয়ে গেল। হাজার হাজার মানুষ রাতারাতি কাজ হারালেন। পড়াশুনা লাটে। কর্মসংস্কৃতি রসাতলে। সরকারের হাতে টাকা নেই। উন্নয়ন বাবদ প্রকল্প গুলো শিকেয়। নাভিশ্বাস উঠেছে অথর্নীতির। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম। বিশ্বের বাজারে তেলের দাম যখন কমছে দেশে তখন তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া। এরপর জিনিসপত্রের দাম যে আকাশ ছোঁয়া হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনিতেই গরিব ও নিম্নবিত্ত মানুষের প্রাণান্ত কর অবস্থা। অফিস কাছারি খুলে গিয়েছে। সরকারি বেসরকারি অফিস গুলোতে যোগ দিতে আর চাকরি বাঁচাতে মানুষের নাজেহাল অবস্থা। পর্যাপ্ত বাস নেই। নেই পারষ্পরিক দুরুত্ব বজায় রাখার সুযোগ। একটা জগাখিচুড়ি সময়। ট্রেন যতদিন না চলছে ততদিন ব্যবসা বাণিজ্যের হাল কি ফিরবে? এমন অবস্থা হয়তো আরও কিছু দিন চলবে অথবা বেশ কিছুদিন চলবে। অভাব বাড়বে। দারিদ্র্য সীমার নিচে চলে যাবে অসংখ্য মানুষ। এই সময় দ্রুত রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে প্যাকেজ চাই। অসহায় মানুষগুলোর জন্য রক্ষাকবজ চাই। সেটা দ্রুত চাই।
নবম সংখ্যায় আমাদের এই ই-ম্যাগ। এবার স্মরণ বিভাগে প্রয়াত কবি গীতা চট্টোপাধ্যায় কে নিয়ে লিখেছেন গৌতম সাহা। রয়েছে গৌতম রায়ের ধারাবাহিক। চিন ভারত সংকট নিয়ে কুনাল চট্টোপাধ্যায় এর লেখা। করোনার দিনগুলি নিয়ে আলোচনা করেছেন ভাস্কর দাস। এছাড়া রজত চক্রবর্তীর মুক্তগদ্য। আর কবিতা ও বিশিষ্ট অনুবাদক কবি মমতা নন্দা র অনুদিত কবিতা।
ভালো থাকুন। সাবধানে থাকুন।
গৌতম দাশ
সম্পাদক : গৌতম দাশ
সম্পাদনা সহযোগী : মলয় রক্ষিত
উপদেষ্টা মন্ডলী
ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ লাহা, শর্মিষ্ঠা নাথ, বিজয় দত্ত, ডা. ভাস্কর দাস, সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য, অরণি বসু, সুশীল নাগ, কুণাল চট্টোপাধ্যায়, অমর নাথ, রক্ষিত লিলি হালদার, অঞ্জনা ঘোষ, রামকিশোর ভট্টাচার্য, আশিস সরকার, অপূর্ব কৃষ্ণ দত্ত, বোধিসত্ত্ব বন্দ্যোপাধ্যায়, পল্লব বরন পাল, রবীন বন্দ্যোপাধ্যায়, আনন্দ দাশগুপ্ত, গায়ত্রী রায়, স্বপন বিশ্বাস, সুভাষ ভদ্র, সৌম্যশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশেষ সহায়তা
নিরুপম আচার্য, রুদ্র কিংশুক, আইভি চট্টোপাধ্যায়, শ্রেয়া ঘোষ, বিদিশা সরকার, মণিদীপা নন্দী, বিশ্বাস নিবেদিত, আচার্য স্নিগ্ধা চন্দ্র, আলো পাল, গৌতম সাহা, বোধিসত্ত্ব ভট্টাচার্য, পম্পা দেব, অনমিত্র রায়, সৌরভ হাওলাদার, মানস শেঠ, রিমি মুৎসুদ্দি, দেবাশিষ ভট্টাচার্য, অংশুমান ঘোষ, রিপন রায়, তন্ময় মালাকার, দেবাশীষ সরকার।
কলকাতা যোগাযোগ ও লেখা পাঠানোর ঠিকানা
পরম্পরা প্রকাশন