ক্লান্ত পৃথিবী অশ্বত্থ গাছের তলায় বিশ্রামরত।
প্রলয়ের শেষে পৃথিবী সেজে যাবে-
যুবতির সাজে।
ক্রমশঃ মাটির গভীরে প্রস্তুতি নেবে,
বৃক্ষ ও কীট ।
আর মানুষ তার হিংসা ও লোভ নিয়ে,
ভিতরে ভিতরে শিক্ষাবন্দী।
ক্রীতদাস বানাতে চেয়েছিলো রত্নগর্ভাকে
অহংকারী মানুষ।
এ কোন অদ্ভুত সময়, নতুন সভ্যতার আয়োজন ।
আহা ! ফিরে আসে সেই সনাতনী সংস্কৃতি ।
ধীরে ধীরে নতুন সভ্যতা ফিরে আসে ।
পৃথিবী ধীরে ধীরে খোলস খুলছে,
নবজাতকের বেশে ।
বিজ্ঞানের অহংকার, মহিমন্ডল-যে নিজেই প্রকাশিত হয় তোমার হাত ধরে ।
তাকেই তোমার রক্তচক্ষু, বৃদ্ধা মাকে যেমন
এখনো কর্কশ অপমান করো।
এই যে মানুষের ব্যার্থতা,অনুশোচনার কোষাগারে শূন্য সঞ্চয় ।
শাপমুক্ত হোক মানুষের অহমিকার ।
পৃথিবী এখন বিশ্রমরত, জীবাণু ধ্বংস হলে-
হাতে হাত রাখো, জেগে ওঠো !
আদিজননী জাগবে আবার
মানবের সাথে, উল্লাসে ।