বিশ্ব ভারতী দেবাশীষ সরকার

তুমি থাকো প্রান্তিকে আমি থাকি ভেদিয়ায়
নির্বাক মূঢ় প্রেম মূক থাকে এ-হিয়ায়

কোন যুগে ঠাকুর এক লিখে গেছে ছাইপাঁশ
যুক্তিতে প্রেম নেই ‘ভালবাস ! ভালবাস !’

তোমার পাস্তা প্রিয় আমি প্রেমী পান্তা-র
হেলিপ্যাড-মাঠে বসে খুনসুটি এন্তার

তোমার গীতাঞ্জলি আমার আছে চিত্রা
আরাধ্য দেবদেবী শাহরুখ-সুচিত্রা

নন্দনমেলা রাতে আলগোছে হাতে-হাত
অব্যক্ত রসায়ন ঘটে গেল পরমাদ

কলাভবনের কোনে আশ্লেষী লেনদেন
মৃত্যুকে শৃঙ্গাররঙে বিধাতাই আঁকলেন

আনন্দমেলা-লীলা অমানিশা মহালয়ে
নিবস্ত্রা ভারতীবক্ষে বিশ্ব হয় ক্রীড়াময়

তোমার মা ঢুঁড়েছেন পাত্রটি লাজবাব
গুরুপল্লীতে বাস টিসিএস-ই হাবভাব

রুচিশীল পরিবার সেই সাথে ভারী ট্যাঁক
সুধী দা-র আত্মীয় জাত-টাত  সবই এক

যার বাপ জন খাটে দুবিঘাও জমি নেই
সহপাঠিনীর প্রেম খোয়াইতে খোয়াবেই

‘সিঁদুর এনেছি আজ। কঙ্কালীতলা চলো।‘
একমাত্র আদুরে মেয়ে চোখ জলে ছলোছলো

টোটোয় ফেরার পথে কীভাবে জড়িয়ে ছিলে
সিঁথির সিদুর-দাগ কোপাইতে ধুয়ে নিলে

চাঁদের হাসিতে আজ বাঁধভাঙা জেনেসিস
‘কে জাগো রে !’ ডাকে ওই নেমেসিস ! নেমেসিস !

রাতের সরাইঘাত বোলপুর ছাড়ালো
‘সব শেষ। চল মরি।‘ দুজনেই ঝাঁপালো

মিনি এই রূপকথা ট্র্যাজেডিক থেকে যাক
রেলেকাটা বডিদুটো পাশাপাশি শুয়ে থাক

ভারতী-রা ব্যানার্জি গল্পটা হৃষ্য
মায়ের শ্যামলা ছেলে মারান্ডি, বিশ্ব।