মেঘমালাহীন রাত্রির মতো ,
সুন্দর তুমি নারী .
তারা ঝিকমিক আকাশের মতো ,
নীলাম্বরী শাড়ী
পড়েছো ; আলো -আঁধারির
অনিন্দ্য - সৌন্দর্য্য দেখে -
মনে হয় দেবদ্যুতি উছলোচ্ছে ,
সারা অঙ্গ থেকে .
কখনো অন্ধকার বেশি ,
আর ম্লান আলোকের রেখা -
তোমার জন্মসূত্র,
জেনেছে লালাভ অগ্নিশিখা.
আলোর রশ্মি ঠিকরে ,
পড়েছে তোমার নরম মুখে.
ঈশ্বরের নিস্তরঙ্গ
আশীর্বাদের সুখে,
সম্পুর্না হয়েছ তুমি.
তোমার বলয় ঘিরে ,
বয়েছে উত্তরা বাতাস ,
সুগন্ধী ,ফুরফুরে .
তোমার ভ্রু-কুঞ্চনে ,
মুখের পরতে ,পরতে ,
স্নিগ্ধ ফুলের পাপড়ি ঝরেছে
শীত ,বসন্ত ,শরতে .
তুমি শান্ত ,সুশীল ,গরিমালব্ধ
শক্তি আধার হয়ে ,
সৃষ্টি হয়েছে চিরসুন্দর ,
তোমার প্রকাশ পেয়ে .
দু-হাতে দু -হাঁটু জড়িয়ে নিজের ,
চিবুক রেখেছো মাঝে.
ভাবছো বুঝিবা পৃথিবীতে তুমি ,
লাগলেনা কোনো কাজে .