১. নেটওয়ার্কিং কাকে বলে?
দুই বা ততোধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নেটওয়ার্কিং বলে। এর মাধ্যমে ডেটা ও রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
২. সমাজ জীবনে নেটওয়ার্কিং-এর তিনটি প্রয়োগ লেখো।
ই-মেইল ও ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ, অনলাইন ব্যাংকিং, এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নেটওয়ার্কিং-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ।
৩. অ্যানালগ ও ডিজিটাল সিগন্যাল বলতে কী বোঝায়?
অ্যানালগ সিগন্যাল ধারাবাহিক তরঙ্গ আকারে পরিবর্তিত হয়। ডিজিটাল সিগন্যাল ০ ও ১ এর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন আকারে প্রকাশিত হয়।
৪. অ্যানালগ ও ডিজিটাল সিগন্যালের পার্থক্য লেখো।
অ্যানালগ সিগন্যাল ধারাবাহিক, ডিজিটাল সিগন্যাল বিচ্ছিন্ন। অ্যানালগে নয়েজ বেশি প্রভাব ফেলে, ডিজিটাল তুলনামূলকভাবে নির্ভরযোগ্য।
৫. অ্যানালগ সিগন্যালের দুটি সুবিধা লেখো।
প্রযুক্তি সহজ ও কম খরচে ব্যবহার করা যায়। প্রাকৃতিক শব্দ বা ছবি সরাসরি প্রেরণে উপযোগী।
৬. ডিজিটাল সিগন্যাল কীভাবে সৃষ্টি হয় লেখো।
অ্যানালগ সিগন্যালকে ADC (Analog to Digital Converter) এর মাধ্যমে ০ ও ১ এ রূপান্তর করে ডিজিটাল সিগন্যাল তৈরি করা হয়।
৭. হাফ ডুপ্লেক্স এবং ফুল ডুপ্লেক্সের পার্থক্য লেখো।
হাফ ডুপ্লেক্সে এক সময়ে একদিকে ডেটা যায়। ফুল ডুপ্লেক্সে একই সাথে উভয় দিকে ডেটা আদান-প্রদান হয়।
৮. নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি কাকে বলে? কোন বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভরশীল?
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি ও প্রযুক্তিকে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি বলে। এটি মিডিয়া, টপোলজি ও প্রোটোকলের উপর নির্ভরশীল।
৯. স্টার টপোলজি কাকে বলে লেখো।
যেখানে সব কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (হাব/সুইচ)-এর সাথে যুক্ত থাকে তাকে স্টার টপোলজি বলে।
১০. স্টার টপোলজির একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: একটি লাইন নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয় না। অসুবিধা: কেন্দ্রীয় ডিভাইস নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল।
১১. বাস টপোলজি কাকে বলে লেখো।
যেখানে সব ডিভাইস একটি প্রধান কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
১২. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক কাকে বলে লেখো।
যেখানে প্রতিটি কম্পিউটার সমানভাবে রিসোর্স শেয়ার করে এবং কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না তাকে পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক বলে।
১৩. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কের একটি সুবিধা ও অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: স্থাপন সহজ ও কম খরচ। অসুবিধা: নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ কম।
১৪. তথ্য পরিবহনের প্রকারভেদ কী কী লেখো।
তথ্য পরিবহন তিন প্রকার—সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল ডুপ্লেক্স।
১৫. ক্লায়েন্ট-সার্ভার ও পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
ক্লায়েন্ট-সার্ভারে কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, পিয়ার-টু-পিয়ারে থাকে না। ক্লায়েন্ট-সার্ভারে নিয়ন্ত্রণ বেশি।
১৬. মডুলেশন প্রক্রিয়া কী?
তথ্য প্রেরণের জন্য ক্যারিয়ার সিগন্যালের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন বলে।
১৭. পূর্ণ ও অর্ধ পরিবহন কাকে বলে লেখো।
পূর্ণ পরিবহনে একই সাথে দুইদিকে ডেটা যায়। অর্ধ পরিবহনে এক সময়ে একদিকে ডেটা যায়।
১৮. ব্যান্ডউইথ কী লেখো।
এক নির্দিষ্ট সময়ে সর্বোচ্চ কত ডেটা প্রেরণ করা যায় তার পরিমাণকে ব্যান্ডউইথ বলে। এটি সাধারণত bps এ মাপা হয়।
১৯. কেবলযুক্ত ও বেতার নেটওয়ার্ক কাকে বলে?
কেবল ব্যবহার করে সংযোগ স্থাপন করলে কেবলযুক্ত নেটওয়ার্ক বলে। রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করলে বেতার নেটওয়ার্ক বলে।
২০. কেবলযুক্ত ও বেতার নেটওয়ার্কের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
কেবলযুক্ত নেটওয়ার্ক স্থিতিশীল ও নিরাপদ। বেতার নেটওয়ার্কে তার লাগে না এবং স্থাপন সহজ।
২১. Baud রেট কাকে বলে?
প্রতি সেকেন্ডে সিগন্যাল পরিবর্তনের সংখ্যাকে Baud রেট বলে।
২২. ডেটা গতির একক কী?
ডেটা গতির একক হলো bps (bits per second)।
২৩. ট্রান্সমিশন মিডিয়া কাকে বলে? এর প্রকারভেদ কী কী?
ডেটা পরিবহনের মাধ্যমকে ট্রান্সমিশন মিডিয়া বলে। এটি দুই প্রকার—গাইডেড ও আনগাইডেড।
২৪. গাইডেড মিডিয়া বলতে কী বোঝায়? দুটি উদাহরণ লেখো।
তার বা কেবলযুক্ত মাধ্যমে ডেটা প্রেরণকে গাইডেড মিডিয়া বলে। যেমন টুইস্টেড পেয়ার ও কো-অ্যাক্সিয়াল কেবল।
২৫. STP ও UTP-এর পূর্ণরূপ লেখো।
STP = Shielded Twisted Pair। UTP = Unshielded Twisted Pair।
২৬. টুইস্টেড পেয়ার কেবলের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: দাম কম ও স্থাপন সহজ। অসুবিধা: দীর্ঘ দূরত্বে সিগন্যাল দুর্বল হয়।
২৭. কো-অ্যাক্সিয়াল কেবল কী কী দ্বারা তৈরি লেখো।
এটি তামার কোর, ইনসুলেটর, ধাতব শিল্ড ও বাইরের প্লাস্টিক আবরণ দিয়ে তৈরি।
২৮. কো-অ্যাক্সিয়াল কেবলের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: নয়েজ কম হয়। অসুবিধা: টুইস্টেড পেয়ার থেকে ব্যয়বহুল।
২৯. ফাইবার অপটিক কেবল কী দিয়ে তৈরি লেখো।
এটি কাচ বা প্লাস্টিকের সূক্ষ্ম তন্তু দিয়ে তৈরি, যার মাধ্যমে আলোক সিগন্যাল পরিবাহিত হয়।
৩০. ফাইবার অপটিক কেবলের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: অত্যন্ত দ্রুত গতি ও কম নয়েজ। অসুবিধা: স্থাপন ব্যয়বহুল।
৩১. টুইস্টেড পেয়ার ও ফাইবার অপটিক কেবলের পার্থক্য লেখো।
টুইস্টেড পেয়ার বৈদ্যুতিক সিগন্যাল বহন করে। ফাইবার অপটিক আলোর মাধ্যমে ডেটা প্রেরণ করে।
৩২. কো-অ্যাক্সিয়াল ও ফাইবার অপটিক কেবলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
কো-অ্যাক্সিয়াল তামার তৈরি ও বৈদ্যুতিক সিগন্যাল বহন করে। ফাইবার অপটিক কাচের তৈরি ও আলোক সিগন্যাল বহন করে।
৩৩. ওয়াই-ফাই মিডিয়া বলতে কী বোঝায়?
রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তার ছাড়াই ডেটা আদান-প্রদান করার প্রযুক্তিকে ওয়াই-ফাই মিডিয়া বলে।
৩৪. ইন্টারনেট কাকে বলে?
বিশ্বব্যাপী অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত বৃহৎ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ইন্টারনেট বলে।
৩৫. গেটওয়ে কাকে বলে?
গেটওয়ে এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক বা প্রোটোকলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠাতে সাহায্য করে।
৩৬. গেটওয়ের একটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
এটি বিভিন্ন প্রোটোকল রূপান্তর করতে পারে এবং আলাদা নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে।
৩৭. রাউটারের কাজ লেখো।
রাউটার বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট সঠিক পথে পাঠায়। এটি IP ঠিকানার ভিত্তিতে রুট নির্ধারণ করে।
৩৮. রাউটারের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ করে এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। নিরাপত্তার জন্য ফায়ারওয়াল সুবিধাও দিতে পারে।
৩৯. অ্যানালগ ও ডিজিটাল মোডেম কী লেখো।
অ্যানালগ মোডেম অ্যানালগ লাইনে কাজ করে। ডিজিটাল মোডেম সরাসরি ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার করে।
৪০. মডেমের পূর্ণরূপ কী? মডেমের কাজ কী?
Modem = Modulator + Demodulator। এটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে এবং অ্যানালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে।
৪১. NIC কার্ড কাকে বলে?
Network Interface Card হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার যা কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
৪২. RJ-45 কী? এর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
RJ-45 হলো নেটওয়ার্ক কেবল সংযোগের একটি কানেক্টর। এটি ৮ পিন বিশিষ্ট এবং LAN সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
৪৩. সুইচের কাজ কী?
সুইচ নেটওয়ার্কের ভেতরে ডেটা নির্দিষ্ট ডিভাইসে পাঠায়। এটি MAC ঠিকানার ভিত্তিতে কাজ করে।
৪৪. ব্রিজের পূর্ণরূপ লেখো।
BRIDGE-এর কোনো পূর্ণরূপ নেই। এটি নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট সংযুক্ত করার ডিভাইস।
৪৫. ব্রিজের কী কাজে ব্যবহার হয়?
ব্রিজ দুটি LAN সেগমেন্টকে যুক্ত করে এবং ট্রাফিক কমায়।
৪৬. হাবের কাজ লেখো।
হাব এক ডিভাইস থেকে পাওয়া ডেটা সব ডিভাইসে পাঠায়। এটি বুদ্ধিহীন ডিভাইস।
৪৭. ওয়াই-ফাই কার্ড কী?
ওয়াই-ফাই কার্ড কম্পিউটারকে বেতার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
দুই বা ততোধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নেটওয়ার্কিং বলে। এর মাধ্যমে ডেটা ও রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
২. সমাজ জীবনে নেটওয়ার্কিং-এর তিনটি প্রয়োগ লেখো।
ই-মেইল ও ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ, অনলাইন ব্যাংকিং, এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নেটওয়ার্কিং-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ।
৩. অ্যানালগ ও ডিজিটাল সিগন্যাল বলতে কী বোঝায়?
অ্যানালগ সিগন্যাল ধারাবাহিক তরঙ্গ আকারে পরিবর্তিত হয়। ডিজিটাল সিগন্যাল ০ ও ১ এর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন আকারে প্রকাশিত হয়।
৪. অ্যানালগ ও ডিজিটাল সিগন্যালের পার্থক্য লেখো।
অ্যানালগ সিগন্যাল ধারাবাহিক, ডিজিটাল সিগন্যাল বিচ্ছিন্ন। অ্যানালগে নয়েজ বেশি প্রভাব ফেলে, ডিজিটাল তুলনামূলকভাবে নির্ভরযোগ্য।
৫. অ্যানালগ সিগন্যালের দুটি সুবিধা লেখো।
প্রযুক্তি সহজ ও কম খরচে ব্যবহার করা যায়। প্রাকৃতিক শব্দ বা ছবি সরাসরি প্রেরণে উপযোগী।
৬. ডিজিটাল সিগন্যাল কীভাবে সৃষ্টি হয় লেখো।
অ্যানালগ সিগন্যালকে ADC (Analog to Digital Converter) এর মাধ্যমে ০ ও ১ এ রূপান্তর করে ডিজিটাল সিগন্যাল তৈরি করা হয়।
৭. হাফ ডুপ্লেক্স এবং ফুল ডুপ্লেক্সের পার্থক্য লেখো।
হাফ ডুপ্লেক্সে এক সময়ে একদিকে ডেটা যায়। ফুল ডুপ্লেক্সে একই সাথে উভয় দিকে ডেটা আদান-প্রদান হয়।
৮. নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি কাকে বলে? কোন বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভরশীল?
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি ও প্রযুক্তিকে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি বলে। এটি মিডিয়া, টপোলজি ও প্রোটোকলের উপর নির্ভরশীল।
৯. স্টার টপোলজি কাকে বলে লেখো।
যেখানে সব কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (হাব/সুইচ)-এর সাথে যুক্ত থাকে তাকে স্টার টপোলজি বলে।
১০. স্টার টপোলজির একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: একটি লাইন নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয় না। অসুবিধা: কেন্দ্রীয় ডিভাইস নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল।
১১. বাস টপোলজি কাকে বলে লেখো।
যেখানে সব ডিভাইস একটি প্রধান কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
১২. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক কাকে বলে লেখো।
যেখানে প্রতিটি কম্পিউটার সমানভাবে রিসোর্স শেয়ার করে এবং কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না তাকে পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক বলে।
১৩. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কের একটি সুবিধা ও অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: স্থাপন সহজ ও কম খরচ। অসুবিধা: নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ কম।
১৪. তথ্য পরিবহনের প্রকারভেদ কী কী লেখো।
তথ্য পরিবহন তিন প্রকার—সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল ডুপ্লেক্স।
১৫. ক্লায়েন্ট-সার্ভার ও পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
ক্লায়েন্ট-সার্ভারে কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, পিয়ার-টু-পিয়ারে থাকে না। ক্লায়েন্ট-সার্ভারে নিয়ন্ত্রণ বেশি।
১৬. মডুলেশন প্রক্রিয়া কী?
তথ্য প্রেরণের জন্য ক্যারিয়ার সিগন্যালের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন বলে।
১৭. পূর্ণ ও অর্ধ পরিবহন কাকে বলে লেখো।
পূর্ণ পরিবহনে একই সাথে দুইদিকে ডেটা যায়। অর্ধ পরিবহনে এক সময়ে একদিকে ডেটা যায়।
১৮. ব্যান্ডউইথ কী লেখো।
এক নির্দিষ্ট সময়ে সর্বোচ্চ কত ডেটা প্রেরণ করা যায় তার পরিমাণকে ব্যান্ডউইথ বলে। এটি সাধারণত bps এ মাপা হয়।
১৯. কেবলযুক্ত ও বেতার নেটওয়ার্ক কাকে বলে?
কেবল ব্যবহার করে সংযোগ স্থাপন করলে কেবলযুক্ত নেটওয়ার্ক বলে। রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করলে বেতার নেটওয়ার্ক বলে।
২০. কেবলযুক্ত ও বেতার নেটওয়ার্কের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
কেবলযুক্ত নেটওয়ার্ক স্থিতিশীল ও নিরাপদ। বেতার নেটওয়ার্কে তার লাগে না এবং স্থাপন সহজ।
২১. Baud রেট কাকে বলে?
প্রতি সেকেন্ডে সিগন্যাল পরিবর্তনের সংখ্যাকে Baud রেট বলে।
২২. ডেটা গতির একক কী?
ডেটা গতির একক হলো bps (bits per second)।
২৩. ট্রান্সমিশন মিডিয়া কাকে বলে? এর প্রকারভেদ কী কী?
ডেটা পরিবহনের মাধ্যমকে ট্রান্সমিশন মিডিয়া বলে। এটি দুই প্রকার—গাইডেড ও আনগাইডেড।
২৪. গাইডেড মিডিয়া বলতে কী বোঝায়? দুটি উদাহরণ লেখো।
তার বা কেবলযুক্ত মাধ্যমে ডেটা প্রেরণকে গাইডেড মিডিয়া বলে। যেমন টুইস্টেড পেয়ার ও কো-অ্যাক্সিয়াল কেবল।
২৫. STP ও UTP-এর পূর্ণরূপ লেখো।
STP = Shielded Twisted Pair। UTP = Unshielded Twisted Pair।
২৬. টুইস্টেড পেয়ার কেবলের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: দাম কম ও স্থাপন সহজ। অসুবিধা: দীর্ঘ দূরত্বে সিগন্যাল দুর্বল হয়।
২৭. কো-অ্যাক্সিয়াল কেবল কী কী দ্বারা তৈরি লেখো।
এটি তামার কোর, ইনসুলেটর, ধাতব শিল্ড ও বাইরের প্লাস্টিক আবরণ দিয়ে তৈরি।
২৮. কো-অ্যাক্সিয়াল কেবলের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: নয়েজ কম হয়। অসুবিধা: টুইস্টেড পেয়ার থেকে ব্যয়বহুল।
২৯. ফাইবার অপটিক কেবল কী দিয়ে তৈরি লেখো।
এটি কাচ বা প্লাস্টিকের সূক্ষ্ম তন্তু দিয়ে তৈরি, যার মাধ্যমে আলোক সিগন্যাল পরিবাহিত হয়।
৩০. ফাইবার অপটিক কেবলের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো।
সুবিধা: অত্যন্ত দ্রুত গতি ও কম নয়েজ। অসুবিধা: স্থাপন ব্যয়বহুল।
৩১. টুইস্টেড পেয়ার ও ফাইবার অপটিক কেবলের পার্থক্য লেখো।
টুইস্টেড পেয়ার বৈদ্যুতিক সিগন্যাল বহন করে। ফাইবার অপটিক আলোর মাধ্যমে ডেটা প্রেরণ করে।
৩২. কো-অ্যাক্সিয়াল ও ফাইবার অপটিক কেবলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
কো-অ্যাক্সিয়াল তামার তৈরি ও বৈদ্যুতিক সিগন্যাল বহন করে। ফাইবার অপটিক কাচের তৈরি ও আলোক সিগন্যাল বহন করে।
৩৩. ওয়াই-ফাই মিডিয়া বলতে কী বোঝায়?
রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তার ছাড়াই ডেটা আদান-প্রদান করার প্রযুক্তিকে ওয়াই-ফাই মিডিয়া বলে।
৩৪. ইন্টারনেট কাকে বলে?
বিশ্বব্যাপী অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত বৃহৎ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ইন্টারনেট বলে।
৩৫. গেটওয়ে কাকে বলে?
গেটওয়ে এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক বা প্রোটোকলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠাতে সাহায্য করে।
৩৬. গেটওয়ের একটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
এটি বিভিন্ন প্রোটোকল রূপান্তর করতে পারে এবং আলাদা নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে।
৩৭. রাউটারের কাজ লেখো।
রাউটার বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট সঠিক পথে পাঠায়। এটি IP ঠিকানার ভিত্তিতে রুট নির্ধারণ করে।
৩৮. রাউটারের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ করে এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। নিরাপত্তার জন্য ফায়ারওয়াল সুবিধাও দিতে পারে।
৩৯. অ্যানালগ ও ডিজিটাল মোডেম কী লেখো।
অ্যানালগ মোডেম অ্যানালগ লাইনে কাজ করে। ডিজিটাল মোডেম সরাসরি ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার করে।
৪০. মডেমের পূর্ণরূপ কী? মডেমের কাজ কী?
Modem = Modulator + Demodulator। এটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে এবং অ্যানালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে।
৪১. NIC কার্ড কাকে বলে?
Network Interface Card হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার যা কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
৪২. RJ-45 কী? এর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
RJ-45 হলো নেটওয়ার্ক কেবল সংযোগের একটি কানেক্টর। এটি ৮ পিন বিশিষ্ট এবং LAN সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
৪৩. সুইচের কাজ কী?
সুইচ নেটওয়ার্কের ভেতরে ডেটা নির্দিষ্ট ডিভাইসে পাঠায়। এটি MAC ঠিকানার ভিত্তিতে কাজ করে।
৪৪. ব্রিজের পূর্ণরূপ লেখো।
BRIDGE-এর কোনো পূর্ণরূপ নেই। এটি নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট সংযুক্ত করার ডিভাইস।
৪৫. ব্রিজের কী কাজে ব্যবহার হয়?
ব্রিজ দুটি LAN সেগমেন্টকে যুক্ত করে এবং ট্রাফিক কমায়।
৪৬. হাবের কাজ লেখো।
হাব এক ডিভাইস থেকে পাওয়া ডেটা সব ডিভাইসে পাঠায়। এটি বুদ্ধিহীন ডিভাইস।
৪৭. ওয়াই-ফাই কার্ড কী?
ওয়াই-ফাই কার্ড কম্পিউটারকে বেতার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।