১।অটোমেটিক টেলর মেশিন (ATM) কিরূপে কাজ করে?
আজকাল এই যন্ত্রের বহুল ব্যবহার হচ্ছে কারণ এই যন্ত্রটির মাধ্যমে আমরা ব্যাঙ্কের লেনদেন অতি দ্রুত সমাধা করতে পারি। প্রথমে গ্রাহক তার কার্ডটি যন্ত্রে প্রবেশ করিয়ে তার পার্সোনাল আইডেন্টটিফিকেশন নম্বর (PIN) লিপিবদ্ধ করলে গ্রাহককে লেনদেন করার অনুমতি দেওয়ার পূর্বে যন্ত্রটি একই সাথে কয়েকটি কার্য করে থাকে। প্রথমত গ্রাহকের সত্যতা যাচাই করা, দ্বিতীয়ত যে ব্যাঙ্কে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট আছে সেখানকার সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়া, তৃতীয়ত বৰ্তমান লেনদেনের সর্বশেষ অ্যাকাউন্টের হিসাবের লিখিত চিরকুট বের করে দেওয়া। এই সকল ব্যবস্থা সম্পূর্ণ করা হয় এই যন্ত্রটির সঙ্গে একটি বৃহৎ কম্পিউটর নেটওয়ার্কের সাথে বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে এবং বিশেষ প্রোগ্রামের মাধ্যমে। 1967 সালে লণ্ডন শহরে বার্কলে ব্যাঙ্কে প্রথম এই মেসিন চালু হয়।
২। ইন্টারনেট কি?
পুরো কথাটি হল ইন্টার কানেকটেড নেটওয়ার্কস। একে তথ্যের সমুদ্র বলা যেতে পারে। দুটি বা তার বেশী কম্পিউটার পরস্পরের সাথে যুক্ত করে ব্যবহারকারীদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য আদান প্রদান করা হয়। তখন তাকে নেটওয়ার্ক বলা হয়। এরূপ বহু বহু নেটওয়ার্ক পরস্পর যুক্ত করে, যে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা তাকেই বলে ইন্টারনেট। বর্তমানে 170 টি দেশের প্রায় লক্ষ নেটওয়ার্ক মিলে তৈরী হয়েছে ইন্টারনেট। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় 125 কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। এরূপ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার প্রথম ব্যবহার হয়েছে আমেরিকার সামরিক দপ্তরে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর যে জিনিষগুলি প্রয়োজন তা হচ্ছে, কম্পিউটার, মোডেম, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, টেলিফোন। কম্পিউটারকে সার্ভিস প্রোভাইডারের সাহায্যে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে নিতে হবে তার জন্য ব্যবহারকারীকে সংযোগের ভাড়া দিতে হয়। ইন্টারনেট তথ্য বিনিময়ের কয়েকটি মাধ্যম হল ই-মেল, ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড ওয়েভ, (WWW) ফাইল ট্রান্সফার, নিউজ গ্রুপস ইত্যাদি। ই-মেলের মাধ্যমে দ্রুত সংবাদ আদান প্রদান, চিত্ত বিনোদন, তথ্য সংগ্রহ, গবেষণার কাজ, এমনকি ব্যবসা বাণিজ্যিক কাজকর্ম, ব্যাঙ্কিং, লেখাপড়া কেনাকাটা, প্রভৃতি বাড়ীতে বসে করা সম্ভব হচ্ছে। গোগোল (google) নামক ওয়েভে 12 মিলিয়ান পৃষ্ঠার বেশী তথ্য আছে। ইন্টারনেট স্বাধীন তাই একে ইচ্ছা মতো ব্যবহার করা চলে। স্বাধীন বলে এর অপব্যবহারও দিনদিন বেড়ে চলেছে। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো সমাজের ক্ষতি যাতে না হয় তার জন্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে।
৩। কমপ্যাক্ট ডিস্ক (সি. ডি) কিরূপে কাজ করে?
প্লাসটিক পলিকার্বনেট দিয়ে তৈরী 12 সেমি ব্যাস বিশিষ্ট চাকতি ঐ কমপ্যাক্ট ডিস্ক। এর চক্চকে দিকে অণুবীক্ষণিক লাইনের উপর শব্দকে এক আর শূন্যের ছন্দে বাঁধা ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করা হয়। এই কোড সিডির লাইনে ছোট বড় গর্তে যথাক্রমে শূন্য ও এক সাজিয়ে দেওয়া হয়। অ্যালুমিনিয়াম গ্যালিয়াম আর্সেনাইড দিয়ে তৈরী এক প্রকার অর্ধপরিবাহী ডায়োডের সাহায্যে লেসার রশ্মি উৎপন্ন করে সিডির ঐ চক্চকে দিকের উপর ফেলা হয়, প্রতিফলিত আলোক রশ্মি উজ্জ্বলতা হ্রাস বৃদ্ধি থেকে সিডি প্লেয়ার ডিজিটাল কোডে পড়ে নেয় এবং ফিরিয়ে দেয় তার আদি রূপ। সিডিতে স্পর্শ জনিত অবাঞ্ছিত শব্দ থাকে না এবং এটা দীর্ঘস্থায়ী। সেই প্যারাফিনের রেকর্ড থেকে একে একেলংপ্লে, অডিও টেপ, সিডি, রিড, রাইট সিডি MP3 সিডি (VCD) সুপার ডিস্ক, আইপড (ipod), ডিজিটাল ভার্সেটাইল ডিস্ক (ডি ভিডি) এর ক্ষমতা VCD 25 গুণ। বর্তমানে একটা DVD তে 592 ঘন্টা চলার মতো তথ্য সঞ্চয় করা যেতে পারে।
৪। কম্পিউটার কি?
কম্পিউটার দ্বারা দ্রুত গণনা, তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ নির্দেশক্রমে কার্য(লেখা/ছবি পাওয়া) করানো যায়। কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে কতকগুলি যন্ত্র থাকে। এই যন্ত্রগুলি বেস ইউনিট, কী-বোর্ড, মনিটর, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদি। কম্পিউটারের ভাষার মূল উপাদান 1 অথবা 0 (বাইনারী), এদের বিট বলে। আজকে বৈজ্ঞানিক কঠিন গণনা ছাড়াও দৈনন্দিন কাজের সহায়তায়, বাজারে জিনিসপত্র কেনাবেচা, ব্যাঙ্কেরহিসাবনিকাশ, রেল, বিমানের টিকিট বুকিং, গবেষণায়, রকেট উৎক্ষেপণে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ইত্যাদিতে কম্পিউটার ব্যবহার হচ্ছে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়েছে পার্সোনাল কম্পিউটার (PC)। কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (W.W.W) যুক্ত করে লেখা, ছবি, শব্দ, ভিডিও, তথ্য আদান প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে পৃথিবীতে 1.5 × 10 টি পিসি চলছে এবং প্রতিদিন এ সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীতে 500 টির বেশী সুপার কম্পিউটার আছে তার মধ্যে IBM এবং US. N.A.S.A এখানে তৈরী করেছে সবচেয়ে ক্ষমতা সম্পন্ন ও দ্রুততম কম্পিউটার যার নাম Blue Gene/L, যার ক্ষমতা 280.6 টেরাফ্লপস্। DNA, আলোর কোয়ান্টামকে ব্যবহার করে আরও উন্নত কম্পিউটার তৈরীর গবেষণা চলছে।
৫। কম্পিউটার কেমন করে কাজ করে?
কম্পিউটার প্রধানত চার প্রকার কাজ করে থাকে। কাজগুলি যথাক্রমে তথ্য বা নির্দেশ সংগ্রহ, তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ, তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াগত তথ্য বা ফলাফল প্রকাশ।কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ সরবরাহ করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, বারকোড, লাইটপেন ইত্যাদি। কম্পিউটার যে তথ্য বা নির্দেশ পেল তা প্রক্রিয়াকরণের জন্য যে যন্ত্রটি থাকে তার নাম সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU), এর তিনটি অংশ থাকে এক অ্যারিথমেটিক লজিক্যাল ইউনিট (ALU), কন্ট্রোল ইউনিট (CU) এবং প্রধান মেমরি। গাণিতিক হিসাব, যুক্তিনির্ভর কাজগুলি হয়ে থাকে ALU-তে। কন্ট্রোল ইউনিট (CU) গোটা কম্পিউটার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রিত করে। তথ্য প্রক্রিয়াকরণ শেষে তথ্য, ফলাফল মেইন মেমরিতে জমা হয় এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন ও নির্দেশক্রমে তথ্য সরবরাহ করে। সরবরাহ করার জন্য যে যন্ত্রগুলি ব্যবহৃত হয় তা হল মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।
৬। কম্পিউটার ও মানব মস্তিষ্কের পার্থক্য কি?
কম্পিউটার চলার শক্তি বিদ্যুৎ কিন্তু মস্তিষ্কে শক্তির উৎস রক্তের গ্লুকোজ। কম্পিউটারের প্রাণস্বরূপ ট্রানজিস্টার, সিলিকন চিপ আর মস্তিষ্কের হল স্নায়ুকোষ। পৃথিবীতে সবচেয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারটির ক্ষমতা 280.6 টেরাফ্লপস। কিন্তু মস্তিষ্কের তথ্য সরবরাহের গতি প্রতি সেকেণ্ডে 0.04 মিলিয়ন। কম্পিউটারের নিজের বুদ্ধি নেই, সিদ্ধান্ত, সংশোধন, চিন্তারসাহায্যে সমাধান করতে পারে না। শুধু নির্দেশমত কাজ করে ফল প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু মস্তিষ্ক সমস্যা সমাধান, সিদ্ধান্ত, সংশোধন করতে পারে। একই কাজ কম্পিউটার নির্ভুলভাবে অবিরাম করতে পারে, মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে অসুবিধা হয়। কম্পিউটার মানুষের মতো রূপ, রস, গন্ধ, অনুভব করতে পারে না। তবে একটা কথা কম্পিউটার যে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে করবে তার উৎস মানুষের মস্তিষ্ক। মস্তিষ্ক নানারকম অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করতে পারে কিন্তু কম্পিউটার এইসব বিষয়ে অনেকটা পিছিয়ে আছে।
৭। ডিজিটাল ও প্রচলিত ক্যামেরার পার্থক্য কি?
উভয় ক্যামেরাতে সার্টার ও লেন্স থাকে। কিন্তু ডিজিটাল ক্যামেরাতে ফ্লিম ব্যবহৃত হয় না তার পরিবর্তে আলো সংবেদনশীল কঠিন পদার্থ ব্যবহার করা হয় যার বৈজ্ঞানিক নাম চার্জ কাপল ডিভাইস (সি, সি, ডি)। যে বস্তুর ছবি তুলতে হবে তাকে ফোকাস করলে বস্তু থেকে আগত আলো সি সি ডি-এর উপর পড়লে তা থেকে ইলেকট্রনিক সংকেত বের হয় সেই সংকেত ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করে মেমারীতে সংরক্ষিত হয়, তা পিসি কার্ড বা ফ্লপিতে এমন কি হার্ডডিস্কে জমা রাখা যায়। এক্ষেত্রে ফ্লিম প্রসেসিং এর জন্য সময় নষ্ট হয় না, সাথে সাথেই ছবি দেখা যায় এবং প্রিন্টারের সাহায্যে ছবির প্রিন্ট তোলা হয়। এক্ষেত্রে তোলা ছবি খারাপ হলে এল সি ডি (LCD) মনিটরে দেখে নিয়ে মুছে ফেলা যায় এবং পুনরায় ছবি তোলা যায়। প্রচলিত বা অ্যানালগ ক্যামেরার মত ফ্লিম নষ্ট হয় না। কারণ ডিজিটাল ক্যামেরায় ফিল্মের কোন ব্যবহারই হয় না।
৮। ন্যানোটেকনোলজি কি?
ন্যানোটেকনোলজি কথার মানে ক্ষুদ্রতম প্রযুক্তি অর্থাৎ এর সাহায্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্র বা মেশিন তৈরী করা সম্ভব হবে যার দৈর্ঘ্য হবে 109 মিটার। এত ক্ষুদ্র যা প্রায় অদৃশ্য। মোট কথায় আণবিক যন্ত্র বা আণবিক রোবট।
এই প্রযুক্তি প্রথম পরিকল্পনা করেন বিজ্ঞানী রিচার্ড ফেনম্যান (Feynman) কার্বণ অণু দিয়ে বিজ্ঞানীগণ একপ্রকার নল বা টিউব তৈরী করেছেন যার ব্যাস একটি চালের ব্যাসের পঞ্চাশ হাজার ভাগের এক ভাগ। এই টিউবের সুবিধা হল এটি শক্ত হবে হীরের মত, বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা অনেক বেশী।
এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগামীদিনে তৈরী হবে ছোট রোবট যা একদিকে দেহের রক্তের প্রবাহের সাথে মিশিয়ে দিয়ে রোগনির্ণয়, সঠিক সময় সঠিক ঔষধ, সঠিক স্থানে সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করে রোগ নিরাময় এবং দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি সাথে সাথে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ঐ ছোট ছোট রোবটকে কাজে লাগানো যাবে। তামার চিপ এর পরিবর্তে কার্বণ ন্যানোটিউব ব্যবহার করে তৈরী হবে অণবিক সুপার কম্পিউটার। তবে কবে নাগাদ হবে ঐ আণবিক যন্ত্র বা রোবট হয়তো 50 বৎসর পরে তবে 10 বৎসরের মধ্যে ছোট ছোট যন্ত্র ব্যবহার শুরু হবে। যেমন এখন এনড্রোস্কপির ছোট ক্যামেরা ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া আরো কত কি না করা যাবে এই ন্যানো টেকনোলজির সাহায্যে। আশা করা যায় এখনকার কম্পিউটার প্রযুক্তির জায়গা নেবে এই ন্যানোটেকনোলজি।
৯। বারকোড (Bar Code) কি?
আজকাল বিভিন্ন ঔষধ, পুস্তক, খাদ্যদ্রব্য, ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি, বিভিন্ন জিনিয প্রস্তুতকারক সংস্থা তাদের প্রস্তুত জিনিসের মোড়কে কতগুলি সাদা কাল দাগ চিহ্নিত একটি লেবেল সেঁটে দেন বা ছাপিয়ে দেন, এইগুলিকে বার কোড বলে। এই বারকোডের মাধ্যমে কোম্পানীর নাম, জিনিসের নাম, ওজন, দাম ইত্যাদি প্রয়োজনীয় পরিচয় দিয়ে থাকেন। শুধুমাত্র সাদাকালো দাগই নয় অনেকক্ষেত্রে সংখ্যা, বর্ণমালা, বা বিশেষ চিহ্নও থাকে। স্বয়ংক্রিয় কোডরিডার বা স্ক্যানারের মাধ্যমে একটি লাল আলো ঐ বার কোডের উপর ফেলা হয়, সাদা দাগগুলি থেকে আলো প্রতিফলিত হয় এবং কালো দাগগুলি আলো শোষণ করে। প্রতিফলিত আলো থেকে পাঠ উদ্ধার করে সংকেত তৈরী করে, এই সংকেত থেকে ডিকোডারের মাধ্যমে আসল কোড তৈরী হয় এবং দ্রুত, হিসাব রাখা ভুল কম, সঠিক তথ্য তথা ক্রেতাকে সুরক্ষা সহায়তা প্রদান করে। এক্ষেত্রে একজন দক্ষ হিসাবরক্ষকের চেয়ে দশগুণ দ্রুত কাজ করা সম্ভব এবং ভুলের মাত্রা 1012 এ একটি হতে পারে।
১০। রোবট কি?
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাহায্যে ইলেকট্রনিকস্ ও কম্পিউটারের সমন্বয় করে প্রতিকুল পরিবেশেও দীর্ঘ সময়, দক্ষতার সাথে মানুষের চেয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে এমন এক যন্ত্র হল রোবট। আজকাল মানুষের মত দেখতে রোবট তৈরী করা হয়েছে, যা ঘরের কাজকর্ম, অফিসের কাজ, নার্সিং, ওয়েল্ডিং, ল্যান্ডমাইন খোঁজকরা, বোমা নিষ্ক্রিয় করা, রোবট মাছের সাহায্যে সমুদ্রের নীচের খোজখবর নেওয়া হচ্ছে। একপ্রকার কমিউনিকেশন রোবট তৈরী করা হয়েছে যারা কথা বলে এবং বিভিন্নভাবে বিনোদন যোগায়। সম্প্রতি এম আর আই ও কম্পিউটারের মাধ্যকে মাইক্রো ক্যামিকেল রোবট তৈরী করা হচ্ছে যা দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম হবে।